বিএনপি ১০০ দিনের আমলনামা নিয়ে জয়ের পোস্ট – অনলাইন তোকদার নিউজ পোর্টাল
  1. limontokder@gmail.com : admin :
শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক :
পীরগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে জয় লাভ করেন পীরগাছা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কে কে জয়লাভ করলেন এবার কে হতে যাচ্ছে পীরগাছা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একটি প্রবাদবাক্য আছে পিপীলিকার পাখা গজায় মরিবার তরে আজ ১লা বৈশাখে ঐতিহ্যবাহী কান্দিরহাটের ইজারাদার নতুন দায়িত্ব পালন শুরু করেন পীরগাছা উপজেলার ব্যাটারী‌ চালিত‌ অটো‌ মালিক ও শ্রমিক দের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় নতুন সরকারের, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী যারা হলেন এক নজরে দেখে নিন কে কোন আসনে জিতলেন একটু ভুলের জন্য কমপক্ষে ৩৫% ভোট কম পোল হল পরুন প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে ১৫ বছর আগের আর আজকের বাংলাদেশের মধ্যে বিরাট ব্যবধান

বিএনপি ১০০ দিনের আমলনামা নিয়ে জয়ের পোস্ট

  • Update Time মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর, ২০২২
  • ৯১ Time View
ছবি:দৈনিক তোকদার নিউজ পোর্টাল থেকে,বিএনপি ১০০ দিনের আমলনামা নিয়ে জয়ের পোস্ট
ছবি:দৈনিক তোকদার নিউজ পোর্টাল থেকে,বিএনপি ১০০ দিনের আমলনামা নিয়ে জয়ের পোস্ট
PDF DOWNLODEPRINT

বিএনপি আমলের ১০০দিনের‘আমলনামা’নিয়ে ফেসবুকে দীর্ঘ একটি পোস্ট দিয়েছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়।সোমবার তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্টটি দেন।

তার পোস্টটি হুবুহু তুলে ধরা হলো:-

কেমন ছিল বিএনপি-জামায়াতের ক্ষমতায় আসার পর প্রথম ১০০দিনএটাই বিএনপির Take Back Bangladesh!একবার চিন্তা করুন,বাংলাদেশে কোন যায়গায় নিয়ে যেতে চায় বিএনপি? 
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০১-২০০৬ সাল বিভীষিকাময় পরিস্থিতির কারণে চিহ্নিত হয়ে থাকবে সবসময়।একটি দেশকে ক্ষমতাসীন দল চাইলে কতটা নারকীয় পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে,তার নিদর্শন বিএনপি-জামায়াতের এই শাসনামল।সেসময়কার পরিণত মানসিকতার মানুষ যারা বেঁচে আছেন,সেই শাসনামলের কথা মনে পড়লে আজও তারা শিউরে ওঠেন।ধীরে-সুস্থে নয়, ক্ষমতায় বসার আগে থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল পিশাচদের জান্তব উল্লাস।বিএনপি-জামায়াতকে যারা ভোট দেবে না,তাদের পরিণতি কত কঠিন হতে পারে,তার দৃষ্টান্ত শুরু হয়ে গিয়েছিল মাসখানেক আগে থেকেই। আওয়ামী লীগ এবং সংখ্যালঘু নিধনযজ্ঞ শুরু হয় নির্বাচনের আগে থেকেই।নির্বাচনের দিন দুপুরের পরপরই দেশের ওপর যেন নরক ভেঙে পড়ে।শুরু হয় চারদিকে খুন,ধর্ষণ,অগ্নিসংযোগ,লুটপাটসহ ভয়াবহ সহিংসতা।দেশের মানুষ ৭১ ও ৭৫-এর পর এমন চরম আতঙ্কজনক পরিস্থিতি চাক্ষুস করেনি।সেই ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তৎকালীন সরকার প্রতিশ্রুতি দেয় ১০০দিনেই দেশকে সুপথে পরিচালিত করবে বলে।কিন্তু সবই ছিল বাগাড়ম্বর।একটু পেছন ফিরে দেখা যাক, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার সেই প্রতিশ্রুত ১০০ দিনে কী করেছিল।তৎকালীন প্রথম সারির গণমাধ্যমগুলোতে শুধুমাত্র প্রকাশিত সংবাদের তথ্য-উপাত্তের ওপর ভিত্তি করে এই তরুণ প্রজন্মকে একটা ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করা হলো।যারা সেসময়টা প্রত্যক্ষ করার মতো পরিণত ছিলেন না কিংবা অনেকের তখনও জন্ম হয়নি।ক্ষমতায় এসেই বিএনপি-জামায়াত সরকার ১০০দিনের একটি কর্মসূচির ঘোষণা দেয়।গালভরা কথা মনে হলেও দেশবাসী উপায় না দেখে আশায় বুক বেঁধেছিল,এই বুঝি খুন,ধর্ষণ,লুটপাট,অগ্নিসংযোগ, সংখ্যালঘু নিপীড়নসহ সব কিছু বন্ধ হয়ে যাবে।কিন্তু না, কিছুই ঘটেনি:জনতাকে দেওয়া সেই ১০০দিনের প্রতিশ্রুতির বেলুন ফুটো হয়ে গেছে।অর্থনীতি,আইন-শৃঙ্খলা,রাজনীতি,প্রশাসনসহ সর্বক্ষেত্রেই সরকারের চরম ব্যর্থতা মানুষকে আশাহত করেছে।দেশ নিয়ে উচ্চাশা করতেন যারা,সেই বুদ্ধিজীবীদের মুখে কুলুপ ঠুসে দেওয়া হলো।কেউ প্রতিবাদ করলে তার নাম অন্তর্ভূক্ত করা হচ্ছিল কালো তালিকায়।দেশের খনিজ সম্পদ এবং ব্যবসা-বাণিজ্য বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার একটা কমিটমেন্ট দিয়ে পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আরোহণ করেছিল বিএনপি-জামায়াত জোট।পরবর্তীতে তার প্রমাণ মেলে।কীভাবে রাষ্ট্রায়ত্ব গ্যাসক্ষেত্র বিদেশিদের হাতে তুলে দিয়ে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছিল।জ্বলে-পুড়ে নিঃশেষ হয়ে যায় রাষ্ট্রের অমূল্য খনিজ গ্যাস।ক্ষতিপূরণ যেন দিতে না হয়,সেজন্য বিএনপি-জামায়াত নেতৃবৃন্দ এবং আমলাদেরকে দেওয়া হয়েছিল বিপুল অঙ্কের উপটৌকন,দেশে-বিদেশে নানা সুবিধা,গাড়ি,ফ্ল্যাট ইত্যাদি।এসব যদিও ১০০দিনের পরের ঘটনা,তবুও এসব বলার উদ্দেশ্য হলো,সেই সরকার কাদের সহায়তায় ক্ষমতা বসেছিল,তার ধারণা দেওয়ার জন্য।গদিতে বসার পর থেকে বিএনপি-জামায়াত যেভাবে দেশ শাসন করেছিল,মাস পার না হতেই সর্বক্ষেত্রেই দেখা দিয়েছিল বেশ কিছু প্রশ্ন:পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকলেও বিএনপি নেতৃত্বাধীন এমন আনাড়ি হাতে কীভাবে সরকার পরিচালনা করছে?তারা কি আদৌ রাষ্ট্র ব্যবস্থা পরিচালনায় সক্ষম?মাত্র ১০০দিনেই কি দলটি রাষ্ট্রের বারোটা বাজিয়ে ফেলেছে?এসব প্রশ্ন ছিল খোদ বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবীদের মুখেও।জোটের শুভাকাঙ্ক্ষীরা পর্যন্ত রাষ্ট্র পরিচালনার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।বিভিন্ন রাজনৈতিক সভা এবং পত্রিকার কলামে বুদ্ধিজীবীদের হতাশাভরা বক্তব্য ছিল এমনই- রাষ্ট্রের কোনো কিছুই ঠিকঠাক চলছে না,সবকিছুই স্থবির।প্রথমদিন থেকে সর্বক্ষেত্রে তারা ব্লান্ডার(ঘাপলা) করে ফেলেছে।আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে।মানবাধিকার পরিস্থিতিতে চরম বিপর্যয় ঘটেছে..ইত্যাদি।

এমনকি বিএনপি-জামায়াত জোটের অনেক সিনিয়র নেতাও সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করেছেন। এখানে একটি সুনির্দিষ্ট ঘটনা উল্লেখ করা যায়।সংবাদ পাঠক সংসদ নামক একটি অনেক পুরনো সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত এক আলোচনা সভায় আমন্ত্রিত জোট সরকারের নেতৃবৃন্দ দেশজুড়ে মানুষের মাঝের হতাশা এবং সরকারের ব্যর্থতার কথা মেনে নিতে বাধ্য হয়েছেন। না হয়ে উপায় ছিল না।কারণ,সংবাদ পাঠক সংসদ কর্তৃপক্ষ বিগত ১০০দিনে দেশজুড়ে ঘটে যাওয়া নারকীয় ঘটনাগুলোর বিস্তারিত তথ্য,সংবাদপত্রে প্রকাশিত ঘটনার বিবরণ জনসম্মুখে তুলে ধরেছিলেন।

সেসময় বিএনপি নেতা ও তৎকালীন পরিবেশ মন্ত্রী শাহজাহান সিরাজ নিজের আক্ষেপ তুলে ধরে বলেছেন, .. আমরা এখন নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ছি।জনগণ ইতোমধ্যে হতাশ ও দুর্দশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।কারণ আমাদের অনেক নেতা-কর্মী সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিতে নেমে পড়েছে।কিন্তু তারা গ্রেপ্তার হচ্ছে না বা তাদের শাস্তি হচ্ছে না।জামায়াতের ঢাকা মহানগরীর আমীর(রাজাকার) এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন,জোট সরকারকে দেশের জনগণের আস্থা অর্জন করতে হলে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ উপহার দিতে হবে। জনগণের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আগেই এসব বিষয়ে সচেতন হতে হবে।কারণ,জনগণ কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা দলকে ক্ষমতাসীন করার জন্য ভোট দেয়নি। জনগণ শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র চায়।জাতীয় পার্টির মহাসচিব কাজী ফিরোজ রশিদ বলেছেন,বিএনপি ক্ষমতায় এসে জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে পারছে না।সন্ত্রাস বন্ধ করার পরিবর্তে আরও বেড়েছে।কোনো অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না।জনগণ আর বেশিদিন সময় দেবে না।জনগণ বিএনপির প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি চায় না,তারা কাজ চায়।ইসলামী ঐক্যজোটের ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুর রশিদ মজুমদার বলেছেন, জোট সরকারের উপর থেকে জনগণের আস্থা দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।এ অবস্থায় জোট সরকারের সাফল্যের সম্ভাবনা তেমন দেখা যাচ্ছে না।
এসব বক্তব্য থেকে এটা স্পষ্ট যে,তৎকালীন সময়ে নারকীয় ঘটনা দেশকে এতটাই বিপর্যস্ত করে তুলেছিল যে,ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী-এমপিরা সেসব ঘটনা স্বীকার না করে পারেননি।বাধ্য হয়েছিলেন জনগণের সামনে নিজেদের ব্যর্থতা মেনে নিতে।সেদিন সংবাদ পাঠক সংসদ কর্তৃক একটি তথ্য তুলে ধরা হয়েছিল।বিএনপি-জামায়াত সরকারের ১০০দিনে সন্ত্রাসী কার্যকলাপে নিহতের সংখ্যা ছিল ১২০০-এর বেশি।ধর্ষণের ঘটনা গড়ে প্রতিদিন ৪টি,খুনের সংখ্যা গড়ে প্রতিদিন ৬জন।
সেই ১০০দিনে ঘটে যাওয়া কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়া যেতে পারে।থানার ওসি নিজের প্রাণ বাঁচাতে জিডি করেছেন:-
সন্ত্রাসের জনপদ হিসেবে চট্টগ্রামের রাউজান এলাকা কুখ্যাত হয়ে গিয়েছিল পকিস্থানপন্থী ফকা চৌধুরীর পরিবারের কারণে।তার রাজাকার পুত্ররা রাউজানকে সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হিসেবে গড়ে তোলে।দিনে-দুপুরেও সেখানে রাস্তা দিয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী হাঁটতে পারত না ভয়ে,এই বুঝি প্রাণ যায়!রাউজান পৌরসভা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক কর্মীসভায় বিএনপি নেতা সাবেক এমপি রাজাকার গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী(গিকা চৌধুরী)দম্ভের সাথে জানান,রাউজান থানার ভূতপূর্ব ওসি আবুল হোসেনকে হত্যার জন্যে তার মাত্র ৫লক্ষ টাকা খরচ হয়েছিল।
বর্তমান ওসিকেও হত্যার হুমকি দিয়ে গিকা চৌধুরী বলেন,তাকে হত্যার জন্য হয়তো কিছু বেশি খরচ হতে পারে। অবস্থা দেখে নিজের জীবন রক্ষার্থে সেই ওসি থানায় জিডি করেন।যেখানে পুলিশের জীবনের কোনো নিরাপত্তা নাই,সেখানে সাধারণ মানুষ আর কতটুকু আশা করতে পারে! এমনই ছিল সেসময়কার পরিস্থিতি।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের কপালে লাগলো কালিমা:ফুটবলের পটল তুলেছেন পটল:
এমনিতে সাফ গেমস-এর বাইরে বাংলাদেশের ফুটবলের নাম শোনা যায় না।তবুও ফিফার সদস্য হিসেবে বাংলাদেশে একটি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন অন্তত আছে। আন্তর্জাতিক ফুটবলের আসরে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ে সেই সুবাদে।কিন্তু ক্ষমতায় এসেই বড় রকমের একটি অঘটন ঘটান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটল।কোনো রকম পরিকল্পনা ও চিন্তাভাবনা ছাড়াই বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন বা বাফুফের পুরনো কমিটি ভেঙে দেয়ায় বাংলাদেশকে চরম খেসারত দিতে হয়।ফিফার সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বাংলাদেশকে।শুধুমাত্র প্রতিহিংসার কারণে,আগের সরকারের সময়ে নীতিমালা এবং সকল প্রক্রিয়া অনুসরণে গঠিত কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়।নিজেদের লোকজনকে সেখানে পুনর্বাসন করার লক্ষ্যে।ফিফার আইন অমান্য করার কারণে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।ফুটবলের আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে বাংলাদেশের এই বিতাড়িত হওয়াটা জাতি হিসেবে যে কতটা গ্লানি ও লজ্জার,তা ক্রীড়ামন্ত্রী আন্দাজও করতে পারেননি।ক্ষমতায় বসেই তার প্রথম লক্ষ্য ছিল আওয়ামী লীগ আমলের সকল কর্মকর্তাকে বিতাড়িত করা।দেশের ফুটবলের দখল নেওয়া আর ধান্দা-ফিকিরের রাস্তা সুগম করা।ফিফার সদস্য হিসেবে খেলোয়াড়রা বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা বয়ে নিয়ে যেতেন। বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা উপলক্ষে বাংলাদেশের নামটা অন্তত উচ্চারিত হতো।সেই নিষেধাজ্ঞার ফলে সব কিছু শেষ হয়ে গেল বাংলাদেশের নাম।নেমে গেল বাংলাদেশের পতাকা।গণমাধ্যমের চাপে মন্ত্রী পটল অনেক অজুহাত দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন সমালোচনার মুখে।কিন্তু দেশবাসীর কথা ছিল একটাই- বিশ্ব অঙ্গনে বাংলাদেশের পতাকা যিনি উড্ডীন রাখতে পারেননি,তার গাড়িতে জাতীয় পতাকা উড়তে পারে না।
এ বিষয়ে প্রবীণ সাংবাদিক আতাউস সামাদ সেসময় লিখেছিলেন,নির্বাচিত জাতীয় ফুটবল ফেডারেশন কমিটি বাতিল করার দায়ে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলা থেকে বহিষ্কার করছে ফিফা।ফলে সার্ক ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হলো না বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের দোষে।সরকার কোনো কারণই দেখাতে পারলো না এ রকম গাফিলতির।ঘটনাটায় হতাশ হলেন ফুটবল খেলোয়াড়রা,আজ লজ্জা পেল দেশবাসী। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমান জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা এখন এ কথা বলতে পারেন যে, তার সরকার যেখানে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে আন্তর্জাতিক টেস্ট ম্যাচ খেলার সুযোগ ও মর্যাদা এনে দিয়েছে, সেখানে খালেদার সরকার আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে বাংলাদেশের জন্য বয়ে এনেছে চরম অপমান।
হাওয়া ভবন নামে মাফিয়া সাম্রাজ্যের তেলেসমাতি শুরু প্রথম দিন থেকেই:-
আজ এত বছর পরেও হাওয়া ভবনের সেই লুটপাটের ভার বহন করছে বাংলাদেশ।রাস্তার পাশে একটা পান দোকান দিতে হলেও হাওয়া ভবনের নামে চাঁদা দিতে হতো সেসময়।দেশের মানুষের যে কোনো ব্যবসা,দেশে আসা বিনিয়োগ,বাস-অটোরিক্সা নামানো,কলকারখানা স্থাপন,চাকরি-পদোন্নতি-বদলি থেকে শুরু করে হেন কোনো বিষয় ছিল না,যা সরাসরি হাওয়া ভবনের সাথে সম্পৃক্তদের মধ্যস্থতা ছাড়া হতো।মন্ত্রী-এমপিদের ওপরেও ধার্য করা ছিল চাঁদার নির্দিষ্ট হার।লুটপাটকৃত বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার করে গড়ে তোলা হয়েছে বিপুল মাফিয়া সাম্রাজ্য।প্রশাসনের ভেতরে বিস্তার করা হচ্ছে এক কালো থাবা,কীভাবে মাফিয়াদের কালো ছায়া গ্রাস করছিল পুরো দেশটাকে,কীভাবে দেশের সকল প্রতিষ্ঠান একে একে কুক্ষিগত হচ্ছিল মাফিয়াদের আস্তিনের তলে,তার এক নিদর্শন ছিল সেই প্রতিবেদন।মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বদলে দিয়ে রাতারাতি মিথ্যাচার প্রতিষ্ঠা করা হয় পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে:মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস দখল বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের দখলদারিত্বের তালিকায় একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছিল।পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে মিথ্যা ইতিহাস গেলানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।৮ম শ্রেণির’বাংলা সাহিত্য কণিকা’য়, স্বাধীনতার পথে স্মরণীয় যারা শীর্ষক রচনায় ঢোকানো হয়েছিল এক নির্লজ্জ মিথ্যাচার।লেখা হয়েছিল: “প্রভিশনাল বাংলাদেশ সরকারের সশস্ত্র বাহিনীর সুপ্রিম কমান্ডার ও রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ১৯৭১সালের ২৬মার্চ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।বক্তব্য ছিল-আমরা কি নিশ্চিত করে বলতে পারি যে,সকালে ঘর থেকে বেরিয়ে আবার নিরাপদে ফিরতে পারবো?এ কোন শান্তিময় ভবিষ্যত:ক্ষমতায় আরোহণ করে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দেশের মানুষকে সুন্দর ও শান্তিময় ভবিষ্যতের যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন,১০০দিনে তা পুরোটাই ভেস্তে যায়। সরকার ক্ষমতায় বসার পরেই মানুষের দুর্ভোগ সীমানা ছাড়া হয়ে যায়।তৎকালীন অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমানের বেসামাল সংলাপের সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছিল নিত্যপণ্যের দাম।চাল,ডাল,আটা,তেল,মাছ-মাংসসহ সব জিনিসেরই দাম বেড়ে যায় হু হু করে।সেই তুলনায় বাড়েনি মানুষের আয়।সরকার দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ করতে ব্যর্থ,ছিল না ব্যবসায়ীদের ওপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ।বিএনপি-জামায়াত জোটকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য যে পরিমাণ ইনভেস্ট(চাঁদা)করতে হয়েছে,তা উঠিয়ে নিতে হলে জিনিসপত্রের দাম না বাড়িয়ে উপায় কী-এমন প্রকাশ্য বক্তব্য ছিল ব্যবসায়ীদের।সরকারিভাবেই তেল,গ্যাস,বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাড়ানো হয়েছিল।খেতে না পেরে,পরিবারের ভরণ-পোষণ দিতে না পেরে বহু মানুষের সপরিবারে রেলের নিচে বা নদীত ঝাঁপ,বিষ খেয়ে,গলায় দড়ি দিয়ে মৃত্যুর ঘটনা ছিল নিত্তদিনের খবর।ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এক সভায় বলেছিলেন,১০০দিনে জোট সরকার মূল্য বৃদ্ধি ছাড়া কিছুই দিতে পারেনি।সাংবাদিক আতাউস সামাদও না বলে পারেননি-দেশের লোককে সুখের মুখ দেখানোর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি প্রদান এই সেদিনের ব্যাপার হলেও দেশজুড়ে মানুষকে অসুখী করেছে বিএনপি সরকার জ্বালানি,তেল,গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে দিয়ে।ভোটাররা এখন প্রকাশ্যেই প্রশ্ন করছেন, আর কী কী এবং কত ভারি সব বোঝা চাপাবে এই সরকার তাদের ওপর!দায়িত্বশীলদের কাণ্ডজ্ঞানহীন মন্তব্যের কিছু নমুনা এবং অন্যান্য:

★৬০ জনের মন্ত্রীসভা এমন কিছু বেশি নয়।এতে তেমন খরচ বাড়বে না:খালেদা জিয়া(প্রথম আলো,৩রা ডিসেম্বর,২০০১)

★সবুরে মেওয়া ফলে।এতো অধৈর্য হলে চলবে না : বিএনপি মহাসচিব ও মন্ত্রী আবদুল মান্নান ভুঁইয়া, শরিক দলগুলোর উদ্দেশ্যে(প্রথম আলো,১৫ই জানুয়ারি,২০০২)
★দেশ চালায় আল্লাহ, মন্ত্রীরা চালায় না:এমসিসিআই-এর সভায় অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান(ভোরের কাগজ, ২৫শে জানুয়ারি,২০০২)
★নজর রাখবেন আমার দলের লোক খুন হয়েছে,আবার দলের লোকদের বিরুদ্ধে যেন মামলা না হয়:দলীয় কোন্দলে নিহত বিএনপি নেতা খালেদ ইমামের হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের প্রসঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তার উদ্দেশ্যে বিএনপি সাংসদ মেজর মান্নান[প্রথম আলো,২রা জানুয়ারি,২০০২)
★দলে চোর-ডাকাত অনেকেই

★৬০ জনের মন্ত্রীসভা এমন কিছু বেশি নয়।এতে তেমন খরচ বাড়বে না:খালেদা জিয়া(প্রথম আলো,৩রা ডিসেম্বর,২০০১)
★সবুরে মেওয়া ফলে।এতো অধৈর্য হলে চলবে না : বিএনপি মহাসচিব ও মন্ত্রী আবদুল মান্নান ভুঁইয়া,শরিক দলগুলোর উদ্দেশ্যে(প্রথম আলো,১৫ই জানুয়ারি, ২০০২)
★দেশ চালায় আল্লাহ, মন্ত্রীরা চালায় না:এমসিসিআই-এর সভায় অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান(ভোরের কাগজ, ২৫শে জানুয়ারি,২০০২)
★নজর রাখবেন আমার দলের লোক খুন হয়েছে, আবার দলের লোকদের বিরুদ্ধে যেন মামলা না হয় :দলীয় কোন্দলে নিহত বিএনপি নেতা খালেদ ইমামের হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের প্রসঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তার উদ্দেশ্যে বিএনপি সাংসদ মেজর মান্নান(প্রথম আলো,২রা জানুয়ারি,২০০২)
★দলে চোর-ডাকাত অনেকেই থাকে।তাদের সঙ্গেই আমাদের রাজনীতি করতে হয় : বিএনপি চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সহ-সভাপতি একরামুল করিম [প্রথম আলো,১৩ই ডিসেম্বর,২০০১)
★শালাদের চোখ তুলে ফেল :আওয়ামী লীগ নেতাদের উপর হামলা চালনাকালে পুলিশের প্রতি এডিসি কোহিনুর মিয়ার নির্দেশ [ইত্তেফাক,১০ই জানুয়ারি,২০০১]
★বিএনপি সরকারের আমলে ন্যায়বিচার পেলাম, খালেদা জিয়া জিন্দাবাদ :এরশাদ শিকদার, একটি হত্যা মামলায় খালাস পেয়ে)(প্রথম আলো,২৬শে অক্টোবর, ২০০১)
★পুলিশের চাঁদাবাজি ও হয়রানির কারণে বান্দরবানের সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্প এখন ধ্বংসের মুখে :জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবদুল মাবুদ [প্রথম আলো, ২রা জানুয়ারি,২০০২]।তাদের সঙ্গেই আমাদের রাজনীতি করতে হয়:বিএনপি চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সহ-সভাপতি একরামুল করিম[প্রথম আলো,১৩ই ডিসেম্বর, ২০০১)
★শালাদের চোখ তুলে ফেল : আওয়ামী লীগ নেতাদের উপর হামলা চালনাকালে পুলিশের প্রতি এডিসি কোহিনুর মিয়ার নির্দেশ[ইত্তেফাক,১০ই জানুয়ারি,২০০১)
★বিএনপি সরকারের আমলে ন্যায়বিচার পেলাম, খালেদা জিয়া জিন্দাবাদ:এরশাদ শিকদার,একটি হত্যা মামলায় খালাস পেয়ে[প্রথম আলো,২৬শে অক্টোবর, ২০০১)
★পুলিশের চাঁদাবাজি ও হয়রানির কারণে বান্দরবানের সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্প এখন ধ্বংসের মুখে:জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবদুল মাবুদ[প্রথম আলো, ২রা জানুয়ারি,২০০২)

দয়া করে এই পোস্টটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন,সকল সংবাদ পেতে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন…

এই বিভাগের আরও খবর


প্রকাশক:- মোঃ মোশারফ হোসেন তোকদার।

★উপদেষ্টা:- বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মোঃ টিপু মুন্সি,এমপি মহোদয়।

★সম্পাদক:- মোঃ আব্দুল্লা আল্ মাহমুদ মিলন,সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও পীরগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান,রংপুর বিভাগ।

★ব্যবস্থাপনা পরিচালক:- মোঃ এম,খোরশেদ আলম,সভাপতি প্রেসক্লাব পীরগাছা,রংপুর বিভাগ।

© All rights Reserved © 2020 গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত এই ওয়েবসাইটি Tokdernews.com বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পোর্টাল।

Site Customized By NewsTech.Com

প্রযুক্তি সহায়তায় BD Web Developer Ltd.